লন্ডন প্রতিনিধি:
লন্ডনে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউকের সদস্য, ঢাকাবাসী ও কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক আড্ডা ও মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবির পল। বুধবার, ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় পূর্ব লন্ডনের ফরেস্ট গেইটের আড্ডা ঘর রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি, দেশের ভবিষ্যৎ, প্রবাসীদের অধিকার ও কল্যাণ এবং দেশ-প্রবাসের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
ছোট পরিসরে আয়োজিত এ আড্ডায় প্রবাসী সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী ও কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পাশাপাশি উপস্থিত ব্যক্তিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন। আলোচনায় প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা, বাংলাদেশকে ঘিরে তাঁদের ভাবনা এবং ভবিষ্যতে দেশ ও প্রবাসের মানুষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউকের সেক্রেটারি জেনারেল সাংবাদিক তৌহিদুল করিম মুজাহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রেসক্লাবের সদস্য ব্যারিস্টার মুফতি নাফিস, ড. আতাউর রহমান, জুনায়েত রিয়াজ, এস এইচ সোহাগ ও রাজিব হাসান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাহবুবা জেবিন, ইয়াসমিন জাহানারা, মোহাম্মদ জিলানী, ফারুক হোসাইন, মাহবুবুর আলম খান, ইমরান চৌধুরী, কাজী সুমন, আর্কিটেক্ট মাহবুব ও ব্যারিস্টার মাহবুব তোহাসহ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউকের সদস্যবৃন্দ ও লন্ডনে বসবাসকারী প্রবাসী ঢাকাবাসী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাবর চৌধুরী।
আড্ডার একপর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশা, প্রবাসীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা এবং প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের মানুষের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার নানা দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যে প্রবাসে সাংবাদিক ও কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এমন একটি আন্তরিক সন্ধ্যা কাটাতে পেরে রেজাউল কবির পল সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনানুষ্ঠানিক এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।
আয়োজকদের মতে, প্রবাসে সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে এ ধরনের মতবিনিময় পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।